1. admin@protidinershomoy.com : admin :
  2. nasimriyad24@gmail.com : ডেস্ক রিপোর্ট : ডেস্ক রিপোর্ট
  3. wp-configuser@config.com : James Rollner : James Rollner
বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
উপজেলা প্রকৌশলীদের উপর হামলা ও হুমকির প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ভূল্লীতে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন এর মাঠ দিবস উদযাপন ঠাকুরগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনছার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত  ঠাকুরগাঁওয়ে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবি পর্তুগাল বিএনপির ২১শে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে আলোচনা সভায় ঠাকুরগাঁওয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়কে  কুপিয়ে জখম পরকীয়ার জেরে ঠাকুরগাঁওয়ের মিলিকে হত্যা: সিআইডি ছেলে মেয়ে থাকার পরেও তাদের সাথে থাকার জায়গা হলো না মমতাময়ী মায়ের রত্নদের গর্বিত মাতা-পিতারা পেলেন নিক্বণ সম্মাননা একই মেশিনে আগে বের হতো জামায়াত- বিএনপি’ এখন আ’লীগ

বাঙালির অর্জিত বিজয়

মোঃ মেহরাব হোসেন অপি
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৮৫০ জন পড়েছেন

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এদেশের মানুষ হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করে। এ বিজয়ের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ লাভ করে। জাতীয় জীবনে বিজয়ের তাৎপর্য অপরিসীম। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের মানুষ বিজয় লাভের পর থেকে মুক্তি পায়। অন্যায় অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে বিজয়ের প্রতীক আমাদের এই বিজয়ের মাস। অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে প্রতি বছর এ বিজয়ের মাসের ১৬ই ডিসেম্বরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা হয়। বিজয় দিবস বাঙালির জাতীয় দিবস। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরব ও অহংকারের দিন ১৬ই ডিসেম্বর।

পূর্ব বাংলার মানুষের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ক্রমে ক্রমে বাড়তে থাকলে প্রতিবাদে ক্রমে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এই অঞ্চল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তারা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে নানা রকমের বাহানা শুরু করে শাসক গোষ্ঠী। যার ফলে ক্ষোভে-বিক্ষোভে আগুন হয়ে ওঠে পূর্ব পাকিস্তান। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ জনগনের স্বাধীনতার স্পৃহাকে প্রবল করে তোলে। দীর্ঘ ৯ মাস সংগ্রামের পর পরাজয় মেনে নেয় পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

প্রতিটি স্বাধীন জাতির স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িত নানান ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আবেগ। ঠিক তেমনি আমাদের বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রেক্ষাপটে রয়েছে বিপুল ত্যাগ ও সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস। বিপুল পরিমাণ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় দিবস সমূহের মধ্যে অন্যতম একটি দিবস। অন্যান্য দিবসের চেয়ে বিজয় দিবস অনেক বেশি গুরুত্ব রাখে। বিজয় দিবস আমাদের বাঙালিদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের হলেও এর সাথে জড়িয়ে আছে ৭১ এর মহান শহিদের স্মৃতি,স্বজন হারানোর আর্তনাদ। ত্রিশ লক্ষ জীবনের প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। অশ্রু ও রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এ স্বাধীনতা আমাদের কাছে অত্যন্ত গৌরবের। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বয়ে চলছে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের পতাকা, গাইছে বিজয়ের গৌরবগাঁথা। প্রতি বছর এই দিনটি পালনের মধ্য দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্ম এবং বিশ্বকে বার বার মনে করিয়ে দেয় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা, বীর শহীদদের কথা। আমরা অনুপ্রানিত হই আমাদের দেশের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের কথা স্মরণ করে। অনুপ্রানিত হই সামনের পথে এগিয়ে যেতে।

বিজয় দিবসের তাৎপর্য বিরাট ও সুধূরপ্রসারী। বিজয় দিবসের চেতনাকে জাতীয় জীবনের সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে। একটি শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই বিজয় দিবসের সত্যিকারের তাৎপর্য আমরা অনুধাবন করতে সক্ষম হবো। বিজয় দিবসের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে জাতীয় উন্নতির জন্য আমাদের সকলকে সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এক যোগে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। আমাদের জাতীয় জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিজয় লাভ। প্রাণের বিনিময়ে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ শেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বর্বর পাকিস্তানিদের পরাজিত করে এ দিনটিতে আমরা বিজয় অর্জন করি। আমাদের প্রাণের বাংলাদেশ হয়েছিল হানাদারমুক্ত। আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশ, একটি নিজস্ব মানচিত্র ও পতাকা। পেয়েছি বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার ঠিকানা। এ বিজয় এর গৌরব ও আনন্দ চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। এ বিজয়ের পিছনে আমাদের মুক্তিযুদ্ধাদের আত্ম ত্যাগের কাহিনী আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন জানতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। বিজয়ের চেতনাকে মাথায় রেখে আমাদের সকলকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে।

বাংলার দমাল ছেলেদের নিয়ে শুভবুদ্ধিকে আশ্রয় করে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আমরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম। প্রতিটি বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মশাল করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। পরিস্থিতির কাছে আত্মসমর্পণ না করে প্রগতি ও পরিবর্তনের ধারায় অগ্রসর হতে পারলে আমাদের শেষ অর্জন স্বাধীনতা আমাদের জীবনে অর্থবহ হয়ে উঠবে।

লেখক:
মোঃ মেহরাব হোসেন অপি
শিক্ষার্থী, পরিসংখ্যান বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

সংবাদটি আপনার সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরোও সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিশেষ সংখ্যা

You cannot copy content of this page